মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

কি সেবা কিভাবে পাবেন।

কি সেবা কিভাবে পাবেন:

 

 

০১।  বিদেশ গমনকারী কর্মীদের রেজিষ্ট্রেশন ও ফিংগার প্রিন্ট :

 

       রেজিষ্ট্রেশন ও ফিংগার প্রিন্ট  করতে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, সিরাজগঞ্জ শাখা  হতে ২০০/=(দুইশত )টাকার

        মূল্যের   ব্যাংক ড্রাফট প্রদান করে  নির্দিষ্ট রেজিষ্ট্রেশন  ফরম পূরণ  পূর্বক  জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি

        অফিস, সিরাজগঞ্জে  জমা দিয়ে বিদেশগমনকারী কর্মীদের রেজিষ্ট্রেশন ও ফিংগার প্রিন্ট করতে হয়।

       রেজিস্ট্রেশন ও ফিংগার প্রিন্ট করতে  পাসপোর্ট ও ভিসার স্পষ্ট ফটোকপি দিতে হয় এবং এক দিনেই

       ফিংগার প্রিন্ট কার্ড দেয়া হয়।

 

০২। প্রাক-বর্হিগমন ব্রিফিং: বিদেশগামী সকল কর্মীর  প্রাক-বর্হিগমন  প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক  করা  হয়েছে।

      বিদেশগামী কর্মীদের সংশ্লিষ্ট দেশের আইন-কানুন, রীতিনীতি, ভাষা, আবহাওয়া, পরিবেশ, অধিকার-কর্তব্য

      ইত্যাদি সর্ম্পকে ০৩(তিন) দিনের  প্রাক-বর্হিগমন ব্রিফিং দেয়া হয়। কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (টিটিসি) এ

      ব্রিফিংদেয়া হয়। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায়, মুলিবাড়িতে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) নির্মানাধীন

      বিধায় বর্তমানে ইন্সটিটিউ অব মেরিণ টেকনোলজি (আইএমটি),মুলিবাড়ি, সিরাজগঞ্জে প্রাক-বর্হিগমন ব্রিফিং

      দেয়া হয়। উল্লেখ্য, সিরাজগঞ্জের বিদেশ গামী নারী কর্মীদের জন্য পাবনা টিটিসি’তে ০১(এক)মাসের প্রশিক্ষণ

      দেয়া হয়।

 

০৩।  নিরাপদ অভিবাসন প্রক্রিয়া :

        কিভাবে বিদেশ  যাবার  প্রস্তুতি নিয়ে  নিরাপদে কর্মনিয়ে  বিদেশে যাওয়া যায় তার নিয়ম-কানুন জেলা

         কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের  ‘অভিবাসী তথ্য কেন্দ্র’ থেকে দেয়া হয় ।

 

০৪।  বৈদেশিক চাকুরীর উপযোগী  প্রশিক্ষণে উদ্ধুদ্ধকরন :

      এ পর্যায়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান  মন্ত্রণালয় এর  নিয়ন্ত্রণাধীন  বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ

      কেন্দ্রে বিদেশ গমন উপযোগী প্রশিক্ষণসমূহের কোর্স আউটলাইন,কিভাবে কত খরচে কোন কোর্সে ভর্তি হলে

       সহজে দক্ষতাসহ বিদেশ যেতে পারবেন তার  সহযোগিতা করা হয়( উল্লাখ্য, সিরাজগঞ্জ জেলার সদর  

      উপজেলায় এবং কামারখন্দ উপজেলায় ০২(দুই) কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ (টিটিসি) নির্মানাধীন এবং সদর

      উপজেলার মুলিবাড়িতে ০১(এক)টি ইন্সটিটিউট অব মেরিণ টেকনোলজি(আইএমটি) চালু রয়েছে।

 

০৫।  প্রবাসে মৃত কর্মীর মৃত্যুর সংবাদ এবং লাশ দেশে আনা : প্রবাসে কেহ মৃত্যুবরণ  করলে  প্রবাসী  কর্মীদের মৃত্যু সংবাদ তার  পরিবারকে  জানানো এবং মৃতের  লাশ  আনা হবে কিনা তার মতামতসহ তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো,৮৯/২,কাকরাইল, ঢাকা প্রেরণ করা হয়।সরকার নিজ খরচে সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে লাশ আনার ব্যবস্থা করেন।দেশের ০৩(তিন)টি বিমান বন্দর  (১। হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দর ২। সিলেট ওসমানী আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দর   ৩। চট্রগ্রাম শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দর ) দিয়ে  মৃতের  লাশ  দেশে আনা হয়। মৃতের পরিবারকে লাশ হস্তান্তর করার সাথে সাথে ‘লাশ পরিবহণ ও দাফন খরচ বাবদ ‘ ৩৫,০০০/-(পঁয়ত্রিশ হাজার )টাকার চেক প্রদান করা হয়।  

০৬।  প্রবাসে মৃত কর্মীর পরিবারকে আর্থিক অনুদান :

ক) লাশ পরিবহণ ও দাফন খরচ বাবদ : মৃতের পরিবারকে বিমান বন্দরে মৃতের লাশ হস্তান্তর করার সাথে সাথে

    ‘লাশ পরিবহণ ও দাফন খরচ বাবদ ‘ ৩৫,০০০/-(পঁয়ত্রিশ হাজার )টাকার চেক প্রদান করা হয়।   

 

##  বিমানবন্দর হতে  মৃতের লাশ  গ্রহণের ক্ষেত্র :

 

01। জাতীয় পরিচয়পত্র।

০২।  ০২(দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজের সকল ওয়ারিশদের ছবি চেয়ারম্যান কর্তৃক সত্যায়িত এবং ডিইএমও প্রধান

       কর্তৃক সত্যায়িত।

০৩। পরিবারের সদস্য সনদপত্র (ইউপি চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়র/ সিটি করর্পোরেশনের কাউন্সেলর)।

      

 

 খ) আর্থিক  অনুদান :  লাশ পরিবহণ ও দাফন খরচ বাবদ চেক প্রাপ্তির পর মৃতের পরিবার জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি  অফিস, সিরাজগঞ্জে আবেদন করলে   উক্ত আবেদন মহাপরিচালক, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড, প্রবাসী কল্যাণ ভবন, ৭১-৭২, পুরাতন এলিফ্যান্ট রোড, ইস্কাটন গার্ডেন, ঢাকা প্রেরণ করলে বৈধভাবে বিদেশ গমনকারী মৃত কর্মীর পরিবারকে ৩,০০,০০০/-(তিন লক্ষ) টাকার ‘আর্থিক অনুদান’এর চেক প্রদান করা হয়।আর্থিক অনুদান  ২,০০,০০০/-(দুই লক্ষ) টাকার  স্থলে  ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা  পুন:নির্ধারন  করা  হয় ।  ০১/০৪/২০১৩ খ্রি:  তারিখ  হতে পরবর্তী  সময়ে   মৃত্যুবরণকারী প্রবাসী কর্মীদের ওয়ারিশগণ এই আর্থিক অনুদান প্রাপ্য হবেন।

 

গ)  মৃতের পরিবারকে ৩,০০,০০০/=(তিন লক্ষ) টাকা আর্থিক অনুদান পাওয়ার ক্ষেত্র প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

 

01।   ডিইএমও কর্তৃক তদন্ত প্রতিবেদন।                                                                           

০২।   মৃতের পাসপোর্টের ফটোকপি/ বাংলাদেশ হাই কমশিনের প্রত্যয়ন পত্র/ মৃত্যুর সনদ এর সত্যায়িত

      ফটোকপি।

০৩।   অর্থ গ্রহণ কারী ব্যাংক হিসাব নম্বরের বিষয়ে সংশ্লষ্টি ব্যাংকের প্রত্যয়নপত্র/ ব্যাংক ষ্ট্যাটমেন্টের মূলকপি।                                            

০৫।   ৪০০/=(চারশত)টাকা নন-জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে দায়মুক্তি সনদ। যাহা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান/ ওয়ার্ড

        কমিশনার  কর্তৃক স্বাক্ষরিত এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট/ উপজেলা র্নিবাহী কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাক্ষরিত।

০৭।    পরিবারের প্রত্যেক সদস্যে চেয়ারম্যান কর্তৃক সত্যায়িত ১(এক)কপি ছবি এবং সহকারী পরিচালক, জেলা

       কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস কর্তৃক সত্যায়িত ১(এক)কপি রংগিন ছবি।

 

 

 

গ) আর্থিক ক্ষতিপূরণ ,ইন্স্যুরেন্স ও বকেয়া পাওনা : লাশ পরিবহণ ও দাফন খরচ বাবদ চেক প্রাপ্তির পর  বিদেশে বৈধভাবে গমন কর্মীর মৃত্যুজনিত নথিপত্র  বিমান বন্দর হতে   মহাপরিচালক, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড, প্রবাসী কল্যাণ ভবন, ৭১-৭২, পুরাতন এলিফ্যান্ট রোড, ইস্কাটন গার্ডেন, ঢাকা প্রেরণ করলে  সংশ্লিষ্ট দেশস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে প্রবাসে মৃত কর্মীর মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ/বকেয়া বেতন/ ইন্স্যুরেন্স/ সার্ভিস বেনিফিট আদায় এবং ওয়ারিশদের নিকট বিতরণ করা।

**   প্রবাসে মৃত কর্মীর মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ/বকেয়া বেতন/ ইন্স্যুরেন্স/ সার্ভিস বেনিফিট আদায়ের ক্ষেত্রে:

 

০১।   মৃতের স্ত্রীর আবেদনপত্র। 

০২।   ডেথ সনদ।                                                            

০৩।   দূতাবাস সনদ।                                                                         

০৪।   পাসপোর্টের ফটোকপি।

০৫।  নোটারি পাবলিক কর্তৃক নোটারাইজড জেনারেল পাওয়ার অব অ্যার্টনি।

০৬।  নোটারি পাবলিক কর্তৃক নোটারাইজড লিগাল হেয়ারশিপ সার্টিফিকেট।

০৭।  নোটারি পাবলিক কর্তৃক নোটারাইজড  গার্ডিয়ানশিপ সার্টিফিকেট।

০৮।  ইঊপি চেয়ারম্যান কর্তৃক ইংরেজীতে ওয়ারিশ সনদ।

০৫।   অন্যান্য কাগজপত্র।

 

 

০৭।   দালাল এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ ও ক্ষতিপূরণ : কোন ব্যক্তি বিদেশে যাওয়ার ব্যাপারে  বৈধ রিক্রুটিং  এজেন্সি/দালালের প্রতারণার কবলে  পরে ক্ষতিগ্রস্থ হলে এবং অভিযোগ করলে  অভিযোগের  তদন্ত  ও  শুনানী শেষে  প্রমাণিত হলে প্রাপ্য  ক্ষতিপূরনের   ব্যবস্থা করা  হয়।

 

 ০৮। বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি সংক্রান্ত তথ্য প্রদান :   কোন রিক্রুটিং এজেন্সীর লাইসেন্স বৈধ নাকি অবৈধ তার

        তথ্য জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস থেকে প্রদান  করা  হয়।

 

০৯।  নারী অভিবাসন বিষয়ক তথ্য প্রদান : নারী অভিবাসনে  গৃহকর্মী/ বেবিসিটর /কেয়ার গিভার/ গার্মেন্টস কর্মীদের বিদেশে পাঠানো হচ্ছে। বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সীর মাধ্যমে নির্বাচিত মহিলা নারীদের ০১(এক) মাস বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (টিটিসি) (সিরাজগঞ্জের বিদেশ গামী নারী কর্মীদের জন্য পাবনা টিটিসি) ট্রেনিং শেষে স্বল্প সময়ের মধ্যে বিনা খরচে ভাল বেতনে থাকা খাওয়া বাসস্থান ফ্রি যাওয়া আসা ফ্রি ২(দুই) বৎসরের  চুক্তিতে  ২৫-৩৫ বৎসরের  নারীদের  নিরাপদে  বিদেশে  প্রেরনের  ব্যবস্থা  করা হয় । সরকারি  এজেন্সি বোয়েসেল এর  মাধ্যমেও নারীদের  গার্মেন্টস পেশায়  র্জডানে সম্পূর্ণ  বিনা খরচে বিদেশে প্রেরনে সহযোগিতা করা হয়।

 

 

১০।  প্রবাসী কল্যাণ  ব্যাংকের  সেবা সম্পর্কে  পরামর্শ প্রদান:

     # বিদেশ যেতে ঋণ প্রদান  # সহজে বিদেশ  হতে রেমিটেন্স  প্রেরনের  সহযোগিতা  # বিদেশ ফেরতদের  বিনিয়োগ  সহযোগিতা ।

 

১১।  বিভিন্ন এনজিও এর সাথে সমন্বয় করে নিরাপদ অভিবাসন ও মানব পাচার প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিষয়ে

       সচেতনতামূলক  প্রচার-প্রচারনা করা হয় ।

 

১২।  অভিবাসন বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা ও প্রতি বছর  ১৮ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস আড়ম্বরভাবে

       পালন।

১৩।  পেশা নির্দশনা , শ্রম বাজার তথ্য সংগ্রহ , স্থানীয় ও বৈদেশিক  প্রার্থীদের  নিবন্ধীকরণ ও উপস্থাপন।

 

১৪। প্রবাসী কর্মীর মেধাবী সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান:  প্রবাসী কর্মীর মেধাবী সন্তানদের মধ্যে যারা প্রতি বছর পিইসি/জেএসসি/এসএসসি/এইচএসসি অথবা সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত হয়ে পরের বছর দেশের যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৬ষ্ঠ শ্রেণী/সমমান অথবা ৯ম শ্রেণী/সমমান অথবা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়/ পাবলিক মেডিকেল কলেজে ১ম বর্ষ/১ম সেমিসটারে অধ্যয়নরত থাকবে। তবে প্রবাসে বৈধভাবে কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী কর্মীর সন্তানগণ জিপিএ-৪ প্রাপ্ত হলে আবেদন করতে পারবে।

১৫। প্রবাসে আটক কর্মীদের মুক্তকরণ : বৈধভাবে বিদেশে গমনকারী বাংলাদেশী কর্মীদে মধ্যে যারা  বিভিন্ন কারণে প্রবাসে আটক অবস্থায় আছে সরকার সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে আটক কর্মীদের দেশে ফেরত আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকেন।

 

১৬। আহত, পংগু ও অসুস্থ কর্মীদের দেশে ফেরত আনয়ন ও চিকিৎসা : বৈধভাবে বিদেশে গমনকারী বাংলাদেশী কর্মীদে মধ্যে যারা প্রবাসে আহত, পংগু ও অসুস্থ অবস্থায় আছে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করলে সরকার সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে আহত, পংগু ও অসুস্থ কর্মীদের দেশে ফেরত আনয়ন ও চিকিৎসার্থে ১,০০,০০০/-(এক লক্ষ)

টাকা প্রদানের ব্যবস্থা করে থাকে।

১৭।    উন্নয়ন, প্রচার ও এনজিও শাখা :

#   নিরাপদ অভিবাসনে বিভিন্ন ঊপজেলা, ইঊনিয়ন, শহরের প্রাণকেন্দে সচেতনতামূলক  প্রোগ্রাম করা হয়।

#   অভিবাসন সংস্লিষ্ট এনজিওদের সাথে কাজ করা হয়।

 

১৮. এছাড়াও বিএমইটি কর্তৃক বিভিন্ন নির্দেশনা ডিইএমও সিরাজগঞ্জ বাস্তবায়ন করে থাকে।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter